শ্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনাঃ  করোনা নিয়ে অসচেতনতার ছবি ধরা পড়লো বসিরহাটে।
করোনা অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে যখন বিধ্বস্ত গোটা রাজ্য তথা দেশ, তার ব্যমতিক্রম নয় বসিরহাট মহকুমা।
বসিরহাট স্বাস্থ্যর জেলার মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বসিরহাট স্বাস্থ্যে জেলায় এখনও পর্যন্ত সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা্ ১৭৮৮, সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৫০০ জন, যদিও করোনায় এখনও মৃত্যু নেই বলে খবর। জানা গিয়েছে বসিরহাটে ৪৫টি কেন্দ্র থেকে টীকাকরণ চলছে। বসিরহাট জেলা হাসপাতাল সহ মোট ১০টি ব্লকের গ্রামীণ হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রেও টীকাকরণ চলছে। প্রতিটি টীকাকরণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন নূন্যাতম ১০০ জনকে টীকাকরণ করা হচ্ছে। সেই টীকাকরণ প্রক্রিয়াতে প্রতিদিন মোট ৪৫০০টি করে টীকাকরণ তো হচ্ছেই, কোনো কোনো দিন সেই সংখ্যাটা ৫০০০ ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু বিভিন্ন টীকাকরণ কেন্দ্রে হাড় হিম করা চিত্র ধরা পড়ল। টীকাকরণ কেন্দ্রে দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে মানুষ টীকা নিতে আসছে। ফলে টীকা নিতে গিয়েও করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের মধ্যেে সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তবে এরই উল্টো দিকে এক ভিন্ন চিত্র ধরা পড়েছে বসিরহাটে। বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পক্ষ থেকে একটি হেল্প লাইন নাম্বার চালু করা হয়েছে, যেটি হল ৬২৯৬১৯৪৩৫৪। এই নম্বরে করোনা আক্রান্ত রোগীরা ফোন করে যাবতীয় সুবিধা-অসুবিধার কথা জানাতে পারবে। করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান মিলবে এই একটি নম্বরে ফোন করলে।

পাশাপাশি একটি মেডিক্যাল টিমও তৈরী রাখা হয়েছে যারা ফোন পাওয়া মাত্রই বসিরহাট মহকুমার সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকায় গিয়ে আক্রান্তদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দেবে।