গৌরীশংকর গুহ : সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে মনীষী পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটে খলিসামারিতে শুরু হতে চলেছে নতুন শিক্ষাবর্ষের পঠন পাঠন।
মূলত সেখানে বাংলা এবং ইতিহাস এই দু’টি বিষয়ে ৫০ জন করে ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষাদানের করা হবে বলে জানা গিয়েছে।এই বিষয়ে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর দেবকুমার মুখার্জি বলেন কোচবিহারের মানুষ দাবি করেছিলেন পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাস চালু করবার জন্য। রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও কিছুটা জমি আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেইসাথে পঞ্চানন বর্মা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আমাদের বলা হয়েছিল যাতে এই বছর থেকেই পঠন-পাঠন যেন চালু করা যায় সেই বিষয়টি দেখতে। সেই দাবি অনুযায়ী আমাদের একটি এক্সিকিউটিভ কমিটি পঞ্চানন বর্মা জন্ম ভিটে শীতলকুচি খলিশামাড়িতে আছে। এরপর রাজ্য সরকারের কাছে এই বছর থেকেই পঠন পাঠন শুরু করার ব্যাপারে অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুমোদন আমরা পেয়েছি। খুব শীঘ্রই পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল সেই জায়গায় কি করে ৫০ জন করে ইতিহাস এবং বাংলাতে পড়ানো যায় এই বিষয়ে তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন। এবং এই শিক্ষাবর্ষ দিকেই আমরা সেখানে পঠন-পাঠন শুরু করব বলে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।মনীষী পঞ্চানন বর্মা কোচবিহারের এক মহান শিক্ষাবিদ ছিলেন। তাঁকে স্মরণ করে রাখবার জন্যে কোচবিহার বাসির দীর্ঘদিনের দাবি ছিল । সেই দাবী কে মান্যতা দিয়ে পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটে খলিশামাড়িতে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই পঠন পাঠন শুরু হচ্ছে। এতে কোচবিহার শহর তো বটেই এমনকি খলিসামাড়ির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশির হাওয়া বইছে তাদের মধ্যে।